হিন্দুদের দোকান থেকে পণ্য কিনা বন্ধ করুন


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চট্রগামে সনাতনী হিন্দুরা মিলে ২৬/১১/২৪ তারিখে

আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে হত্যার প্রতিবাদে

সকল হিন্দুদের দোকান থেক পণ্য কিনা বন্ধ করুন।

হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব বন্ধ করুন।

হিন্দুদের দোকান থেকে আপনি কোনো জিনিস কিনবেন না দয়া করে ।

আপনার বন্ধু বান্ধব সবাইকে বলুন তারা যাতে হিন্দুদের দোকান থেকে কোনো জিনিস না কিনে

সৌজন্যে- ডেইলি মেজর সিনহা (বাংলা পত্রিকা)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তরুণ আইনজীবী সাইফুলকে যেভাবে হত্যা করে ইসকনের সদস্যরা

 

তরুণ আইনজীবী সাইফুলকে যেভাবে হত্যা করে ইসকনের সদস্যরা

মঙ্গলবার ২৬ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

  

চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনা সংঘের (ইসকন) নেতা ও সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ প্রভু ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার ও তার জামিন নামঞ্জুরের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজনের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে চিন্ময়ের অনুসারীরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সোমবার রাতে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। এর প্রতিবাদে ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও সনাতনী সম্প্রদায় বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল বের করে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় চিন্ময় প্রভুকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। ১১টা ৭ মিনিটের দিকে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় আদালত প্রাঙ্গন জুড়ে পুলিশসহ যৌথবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাবলয় ছিল।

বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (৬ষ্ঠ) কাজী শরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় কয়েকজন আইনজীবীকে চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আদালতে তার জামিন শুনানি শুরু করেন। আদালতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। সনাতনী সম্প্রদায়ের কয়েকশ আইনজীবী আদালতের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান করেন। আদালত আবেদনের শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

জামিন নামঞ্জুরের খবর শুনে আদালত চত্বরে অবস্থানরত সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন বিক্ষোভ শুরু করেন। বেলা সাড়ে বারোটার দিকে চিন্ময় প্রভুকে আদালত থেকে বের করে কারাগারে নেওয়ার জন্য প্রিজনভ্যানে তোলা হয়। তখন সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন প্রিজন ভ্যানের সামনে পেছনে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। কেউ কেউ প্রিজন ভ্যানের সামনে শুয়ে পড়েন। তারা চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীরাও আদালত চত্বরে থাকা প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাংচুর করতে থাকে। বিকাল ৩টার দিকে প্রিজন ভ্যান কারাগারের উদ্দেশে এগোতে থাকে। পথে-পথে চিন্ময়ের অনুসারীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। জেলা পরিষদের সামনের সড়ক অবরোধ করে যানবাহন ভাংচুর শুরু করলে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নিক্ষেপ করতে থাকে ইটপাটকেল। আদালত ভবনের মসজিদের জানালার কাচ ভাংচুর করা হয়।

এতে ক্ষুব্দ আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে সনাতনীদের ধাওয়া দিয়ে রঙ্গম সিনেমার গলিতে ঢুকিয়ে দেয়। সেখানে সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবীর ওপর হামলা করে সনাতনীরা। তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও অন্যান্য আইনজীবীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সনাতনীদের হামলায় নিহত আইনজীবীর নাম সাইফুল ইসলাম আলিফ। তার বাড়ি লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের পানত্রিশা গ্রামে। ২০১৮ সালে তিনি জজ কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকা ভুক্ত হন। আইনজীবী শাপালা ভবনের ৩৩১ নম্বর চেম্বারে বসতেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ ঘিরে সহকর্মী আইনজীবীরা বিক্ষোভ করেন। তারা সাইফুল হত্যার জন্য ইসকনকে দায়ী কারে তাদের শাস্তি দাবি করেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী স্বরূপ কান্তি নাথ বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালত চিন্ময় প্রভুর জামিন নামঞ্জুর করেছেন। উনাকে কারাগারে ডিভিশন সুবিধা দেওয়ার জন্য আদালত আদেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া আমাদের আরেকটা আবেদন ছিল। উনি যেহেতু নিরামিষভোজী ও শাকাহারি, উনাকে যেন ধর্মীয় বিধিবিধান পালনের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়। আদালত সেটা মঞ্জুর করে কারা কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এই আইনজীবী বলেন, তারা নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে বুধবার রিভিশন করবেন। সেখানে আবার জামিন চাইবেন।

 


 

 

 


 

 

 ক্লোজআপের কাছে আসার গল্প, ফ্রুটিকার ফ্রী মি'ক্সিং এড, কি মনে করেন?

ফ্রুটিকার এড, দু'জন মে*য়ে দু'জন ছে*লে, মে'য়েগুলোর মা'থা'য় হি'জা'ব, ছে'লেগুলোর হাতে লা'ল ফিতা, জো*ড়া মিলিয়ে ফ্রুটিকা ড্রিংক করছে আর প্রণয়ের চাহনি নিয়ে মুগ্ধ নয়নে হাসছে।
ক্লোজআপের কাছে আসার গল্প, ফ্রুটিকার ফ্রী মি'ক্সিং এড, কি মনে করেন? এগুলো স্বা'ভা'বি'ক!

আপনার বুঝে উঠার আগেই ওরা লুকিয়ে লুকিয়ে ফ্রী মি'ক্সিং ঢু'কি'য়ে দিচ্ছে, আপনি এবং আপনার ছে*লে মে*য়ে এগুলো দেখে অভ্যস্ত হবেন আর হি*ন্দু মু'স'লি'ম প্রে'ম বিষয়গুলোকে স্বাভাবিক মনে হবে।

ওরা পুরো চ'ক্রা'ন্ত নিয়ে মাঠে নামছে, অনলাইনে অফলাইনে প্রচুর চ'ক্রা'ন্ত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এজন্যে এসবের বি'রু'দ্ধে প্র'তি'রো'ধ গড়ে তুলুন, নিজে স'ত'র্ক হোন অন্যকে স'ত'র্ক করুন।

ইস!কন কি? ইস!কনের উদ্দেশ্য কি?

 ইস!কন কি? ইস!কনের উদ্দেশ্য কি?

ইস!কন এর কথা আসলে মনে করা হয়,
 ইসকন স/না/ত/নদের ধর্মীয় সংগঠন।
কিন্তু ই!সকন কি স/না/তন ধর্মীয় সংগঠন?
 নাকি স/না/ত/নের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়?

তাহলে চলেন ই/সকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।

ই!সকনের সৃষ্টি কিন্তু ভা/রতে নয়
 আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘
অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’।

 অবাক হওয়ার মত বিষয়,
এ ব্যক্তি ভা/রতে কোন হি/ন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি,
লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে।
পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী।
যার পড়াশোনা টা  হয় খ্রিস্টান চার্চে,
সে ব্যক্তি কিভাবে স/না/তন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে।?!

স্বামী প্রভুপাদ যখন  সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে,
 তখন মূলধারার হি/ন্দু/রা এতে বাধা দেয়।

 কারন মূলধারার হি/ন্দু/রা বুজতে পারছে,
 তাদের নাম বিক্রি করে,
খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ই!সকন কি করতে যাচ্ছে।

 বাধা দেওয়ার পর ঐ ই!স!কন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তার কারণ হলো
ই!স!কন কে বাস্তবায়ন করার জন্য,
 কিছু খ্রিস্টান এজেন্টডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হি/ন্দু/দের ভাবনা যেমন ছিলো
ঠিক তেমন কাজ করে
যাচ্ছে  ই!সকন।
যেমন...
হি/ন্দু/দের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ই!সকন মন্দির।
২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর
 রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে
 ইসকনপন্থি ও স/না/তন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়।
এসময় ই!স!কন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে
 একজন সনা/তন নিহত হয়।
তাহলে কিভাবে  হলো ই!সকন সনা/তন ধর্মীয় সংগঠন?

 আসলে ই!সকন হলো একটা উগ্র জ/ঙ্গি সংগঠন।
যারা খ্রিষ্টান এজেন্টডার হয়ে কাজ করে।

তারপর
কেন ইস/কনের সাথে হি/ন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল? এত সম্পর্ক?
 এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে
ইসকন সদস্য ।
 তার কারন এক টাই, ধর্মের নাম করে
উগ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে,
মুসলিম হ/ত্য| করতে।
 যার কারনে হি/ন্দু/দের এত মিল ই!সকনের সাথে।

 বাংলা একটা প্রবাদ আছে
 চোরে চোরে খালাতো ভাই।

নিষিদ্ধ করা হোক ই!সকন কে।

বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র।
তার জন্য  উগ্র  সংগঠন ইস!কনকে নিষিদ্ধ করা হোক।

 কারন ইস/কনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো।
এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য
  মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত।
চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে-
“নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”।
 যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো।
ই!সকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে ।
তা নিচে তুলে ধরা হলো।

১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইস!কন ।

২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইস!কন মন্দির থেকে
 পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর
গু!লি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
 এ সময় ইস!কনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।

৩) ই!সকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।

৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ই!সকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
 যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার
 পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।

৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফা/হাদ হত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইস!কন এর সদস্য ছিলো।

এরকম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখের আড়ালে।
 উগ্র সংগঠন ই!সকন। বর্তমানে  সব চেয়ে বেশি আলোচিত।
বাংলাদেশে লাভ জি/হা/দ প্রতিরোধ এর নামে,
 যে নোংরামি করছে হি!ন্দু/রা।
এসব করার  পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উগ্র  সংগঠন ই!সকনের।
ই!সকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।

বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইস্যু নিয়ে
 মুসলিম আর হি/ন্দু/দের মধ্যে বিবেদ
 সৃষ্টি করার জন্য হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে
 ই!সকন।
 তারা একতা বদ্ধ হয়ে  মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে।
আর তার জন্যেই বলা হয় চোরে চোরে খালাতো ভাই।

সংগৃহিত।


একবার ইসকনের হোটেলে খেতে গিয়েছিলাম

 একবার ইসকনের হোটেলে খেতে গিয়েছিলাম, তাদের নিরামিষ খাবারগুলো বেশ উন্নতমানের। দুপুরের খাবারে মেন্যু তালিকা দেখে অর্ডার দিলাম- সাদা ভাতের সঙ্গে পাঁচ মিশালি সব্জি, সয়াবিন টমেটো ভুনা, কাশ্মিরী তরকারি, ছানা আলু তরকারি, পটলের দোলমা, কাঁচাকলা রোস্ট এবং আমের চাটনি।
কোর্ট থেকে সদ্য ফিরলাম, প্রচুর ক্ষুধাও লেগেছে। মনভরে খাচ্ছি। এমন সময়ে ইসকনের একজন প্রভু এসে আমার সামনে হাজির।
সাধারণত তারা সবাইকেই প্রভু সম্বোধন করে, আমাকেও তাই করলো। ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলো, প্রভু আপনি কি মুসলমানদের সঙ্গে কাজ করেন। আমি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললাম, কোর্টে মুসলমানদের সঙ্গে কাজ করতে তো হবেই। এছাড়া আমি রাজনীতিও করি মুসলমানদের সঙ্গে। এতে সমস্যাটা কোথায় বলুন? প্রভু এবার বলতে লাগলেন, মুসলমানদের সঙ্গে কম মিশবেন, ওরা আপনাকে ধর্মান্তর করতে চাইবে, ওরা গরু খাওয়াতে চাইবে ইত্যাদি।
আমি নিরব হয়ে শুধু শুনে গেলাম। খাওয়া শেষ করে হাত ধুঁতে বেসিনে যাবো। হঠাৎ দেখি প্রভু আমার খাবারের প্লেট বেসিনে ধোঁয়ার জন্য নিয়ে গেলেন।

পুরাই অবাক হলাম, ইসকনের একজন হোটেল কর্মচারী মুসলমানদের সম্পর্কে আমাকে এতগুলো কথা বলে গেলেন। আমিতো ভেবেছিলাম ইসকনের বড় কোনো প্রভু হবে।
তাহলে ইসকনের বড় প্রভুদের মানসিকতা কেমন হবে?

একবার ইসকনের হোটেলে খেতে গিয়েছিলাম, তাদের নিরামিষ খাবারগুলো বেশ উন্নতমানের

একবার ইসকনের হোটেলে খেতে গিয়েছিলাম, তাদের নিরামিষ খাবারগুলো বেশ উন্নতমানের। দুপুরের খাবারে মেন্যু তালিকা দেখে অর্ডার দিলাম- সাদা ভাতের সঙ্গে পাঁচ মিশালি সব্জি, সয়াবিন টমেটো ভুনা, কাশ্মিরী তরকারি, ছানা আলু তরকারি, পটলের দোলমা, কাঁচাকলা রোস্ট এবং আমের চাটনি।
কোর্ট থেকে সদ্য ফিরলাম, প্রচুর ক্ষুধাও লেগেছে। মনভরে খাচ্ছি। এমন সময়ে ইসকনের একজন প্রভু এসে আমার সামনে হাজির।
সাধারণত তারা সবাইকেই প্রভু সম্বোধন করে, আমাকেও তাই করলো। ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলো, প্রভু আপনি কি মুসলমানদের সঙ্গে কাজ করেন। আমি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললাম, কোর্টে মুসলমানদের সঙ্গে কাজ করতে তো হবেই। এছাড়া আমি রাজনীতিও করি মুসলমানদের সঙ্গে। এতে সমস্যাটা কোথায় বলুন? প্রভু এবার বলতে লাগলেন, মুসলমানদের সঙ্গে কম মিশবেন, ওরা আপনাকে ধর্মান্তর করতে চাইবে, ওরা গরু খাওয়াতে চাইবে ইত্যাদি।
আমি নিরব হয়ে শুধু শুনে গেলাম। খাওয়া শেষ করে হাত ধুঁতে বেসিনে যাবো। হঠাৎ দেখি প্রভু আমার খাবারের প্লেট বেসিনে ধোঁয়ার জন্য নিয়ে গেলেন।

পুরাই অবাক হলাম, ইসকনের একজন হোটেল কর্মচারী মুসলমানদের সম্পর্কে আমাকে এতগুলো কথা বলে গেলেন। আমিতো ভেবেছিলাম ইসকনের বড় কোনো প্রভু হবে।
তাহলে ইসকনের বড় প্রভুদের মানসিকতা কেমন হবে?

যেভাবে মুসলিম মেয়েদের ফাঁদে ফেলছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা!

  যেভাবে মুসলিম মেয়েদের ফাঁদে ফেলছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা!   বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ঘটনায় দেখা যাচ্ছে মুসলিম নারীদের টা...